🧘 আলহামদুলিল্লাহ ।
আমার আগের MRP পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ায় গত বছরের অক্টোবর মাসে ১০ বছর মেয়াদী ৪৮ পাতার e-Passport রিনিউ করি ভারত যাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে।
তারপর ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সালে অনলাইনে এ আবেদন করি ইন্ডিয়ান ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য। এপয়েন্টমেন্ট ডেট দেরিতে দেখাচ্ছিল তাই পেমেন্ট করি ১৮ই ফেব্রুয়ারি তারিখে তখন আমাকে এপয়েন্টমেন্ট তারিখ দেওয়া হয় এপ্রিল মাসের ১৬ তারিখ।
হঠাৎ করেই রোজার দুইদিন আগে ১১ই মার্চ IVAC থেকে মেসেজ আসে যে আপনার এপয়েন্টমেন্ট ডেট এগিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে (১৩ই মার্চ)। তারপর সেই মার্চের ১৩ তারিখেই অ্যাপ্লিকেশন ফাইলসহ সকল ডকুমেন্টস জমা দেই বগুড়া IVAC সেন্টারে। জমা দেওয়ার পর পাসপোর্ট ডেলিভারি ডেট পাই ২০ই মার্চ। তবে আমার আর আমার ছোটভাইয়ের মোবাইল নাম্বারে মেসেজ আসে মার্চের ২১ তারিখে পাসপোর্ট সংগ্রহ করার জন্য।
যথারীতি সেদিন দুপুরে ২ ঘটিকায় IVAC সেন্টারে গিয়ে আমাদের সেই ফ্রেশ পাসপোর্টের সাথে ৩ মাস মেয়াদি সিঙ্গেল এন্ট্রির ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা সংগ্রহ করি। তারপর আমাদের দার্জিলিং ট্যুর প্ল্যান শুরু হয়। অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন থেকে শুরু করে, পেমেন্ট করা এবং এপয়েন্টমেন্ট ডেট এ ফাইল জমা দেওয়া, ব্যাংক স্টেটমেন্ট/ডলার এনডোর্স, প্রত্যয়নপত্র সবকাজ আমি নিজেই করি সে এক আনন্দময় ও উত্তেজনাকর অভিজ্ঞতা। ট্যুরে যাওয়ার আগে নিজের ডুয়েল কারেন্সি প্রিপেইড কার্ড দিয়ে নিজের জিপি সিম রোমিং এক্টিভ এবং ভারতের ট্রেনের টিকেট কাটার জন্য IRCTC একাউন্ট ভেরিফাই করে নিই এবং ব্রিলিয়ান্ট কানেক্ট অ্যাপসে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স লোড করি যাতে ভারতে গিয়ে অন্তত টেকনিক্যাল বিষয়ে কোনরূপ ঝামেলা পোহাতে না হয়।
তারপর আমরা হিলি বর্ডার দিয়ে ৮ই এপ্রিল বালুরঘাট- শিলিগুড়ি ইন্টার সিটি এক্সপ্রেস ট্রেনে করে শিলিগুড়ি হয়ে দার্জিলিং ঘুরে ফিরে ১৩ই এপ্রিল আবারো হিলি বর্ডার হয়েই বাংলাদেশে (বগুড়ায়) ফিরে আসি।
🙏 পরিশেষে আমি বলব, ভিসার অ্যাপিকেশন থেকে শুরু করে সবকিছু নিজে একাই করার চেষ্টা করবেন। আর হেল্প লাগল আমি বা আমার মত যারা নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ায় এরকম অনেকেই আছে, তাদের শরণাপন্ন হবেন। অযথা দালালের খপ্পরে পড়বেন না আর অতিরিক্ত অর্থ অপচয় করবেন না।
ভ্রমণ কাহিনী আসছে ২য় পর্বে ইনশাআল্লাহ।
সবার ভ্রমণ আনন্দদায়ক হোক 🕺
#HAMIM
#hamimbd77
#BD_Passport
#Indian_Visa
#Bogura_IVAC
#gp_roaming
#IRCTC
#IRCTC_Rail_Connect
#brilliant_connect

